Man shot dead in Sydney's west
· Brisbane Times
· Brisbane Times
· Prothom Alo

চলচ্চিত্রে রং কখনো চরিত্রের মনস্তত্ত্ব, কখনো সময়, কখনো প্রাকৃতিক দৃশ্যপট, আবার কখনো একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক জগতের পরিচয়। দৃশ্য, আবহ ও অর্থ তৈরিতে রঙের এই নীরব ভূমিকার অনুসন্ধান করা হয়েছে এ লেখায়।
Visit newsbetsport.bond for more information.
চলচ্চিত্রে আমরা রং দেখলেও তার কাজ সব সময় আলাদা করে বুঝতে পারি না। একটি দৃশ্য কেন উষ্ণ, বিষণ্ণ বা অস্বস্তিকর মনে হচ্ছে, তার উত্তর অনেক সময় লুকিয়ে থাকে রঙের মধ্যেই। রং কেবল দৃশ্যের সৌন্দর্যই বাড়ায় না; বরং তা গল্পের অংশ হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে এটি চরিত্রের মানসিক অবস্থা, সময়ের পরিবর্তন কিংবা একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক জগতের পরিচয়ও তৈরি করতে পারে।
যেমন লাল রং প্রেম, উত্তেজনা, বিপদ কিংবা রক্তের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। নীল তৈরি করতে পারে দূরত্ব, প্রশান্তি, একাকিত্ব বা বিষণ্ণতার অনুভূতি। হলুদ কখনো আনন্দ ও উষ্ণতার অনুভূতি তৈরি করে, আবার কখনো অসুখ কিংবা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। একইভাবে সবুজ প্রকৃতি ও জীবনের প্রতীক হলেও, প্রেক্ষাপটভেদে তা বিষ, ঈর্ষা কিংবা অস্বাভাবিকতার ইঙ্গিত দেয়।
তবে রঙের কোনো নির্দিষ্ট অভিধান নেই; সংস্কৃতি, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রেক্ষাপটের কারণে এর অর্থ বদলে যায়। এমনকি আলো, ছায়া, রঙের তীব্রতা ও পার্শ্ববর্তী রঙের পারস্পরিক সম্পর্কও একটি দৃশ্যের ভিন্ন আবহ তৈরি করে। সেখান থেকেই তৈরি হয় উক্ত চলচ্চিত্রের রঙের নিজস্ব ভাষা।
কিন্তু চলচ্চিত্র এই রং পায় কোথা থেকে?
আলো, প্রকৃতি, পোশাক, অভিনয় সহায়ক বস্তু (প্রপস), সময়, সংস্কৃতি নাকি নির্মাতার নিজস্ব শিল্পবোধ থেকে?
রং যখন একটি পৃথিবীর পরিচয়
চলচ্চিত্র রং কোথায় পায়, এর একটি উত্তর পাওয়া যায় নির্মাতার নির্মিত জগতের ভেতরেই।
১৯৯৯ সালে ওয়াচোস্কিজ নির্মিত দ্য ম্যাট্রিক্স-এর জগৎটা সবুজ। কম্পিউটার কোডের সেই সবুজ আভা পুরো জগৎকে আমাদের পরিচিত বাস্তবতা থেকে আলাদা করে দেয়। ছবিতে আমরা যে জগৎ দেখি, সেটি আসলে একটি কৃত্রিম জগৎ। সেই অনুভূতি তৈরিতে সবুজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।
এখানে সবুজ আভা অস্বাভাবিক অথবা কৃত্রিম বাস্তবতাকে বোঝায়। এখানে রং নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য নয়; বরং একটি কৃত্রিম জগৎ হয়ে ওঠে।
‘দ্য ম্যাট্রিক্স’ (১৯৯৯): সবুজাভ রং বাস্তব জগৎ আর কৃত্রিম জগতের মধ্যে পার্থক্য করেরঙ যখন সময় হয়ে ওঠে
কিম কি-দুক নির্মিত ২০০৩ সালের স্প্রিং, সামার, ফল, উইন্টার... অ্যান্ড স্প্রিং রঙের আরেকটি সম্ভাবনা দেখায়।
চলচ্চিত্রটি পাঁচটি পর্বে বিভক্ত: বসন্ত, গ্রীষ্ম, শরৎ, শীত এবং আবার বসন্ত। ঋতুর এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি মানুষের জীবনচক্রও যেন ধীরে ধীরে চোখের সামনে আসে। বসন্তের কোমল সবুজ, গ্রীষ্মের ঘন প্রকৃতি, শরতের হলুদ-বাদামি, শীতের সাদা শূন্যতা, তারপর আবার বসন্ত। প্রকৃতির রঙ বদলায়, তার সঙ্গে বদলে যায় মানুষের জীবনও।
চলচ্চিত্রে সময় বোঝানোর অনেক পদ্ধতি আছে। সম্পাদনা, সংলাপ, চরিত্রের বয়স, পোশাক, প্রপস ইত্যাদি। কিম কি-দুক এই চলচ্চিত্রে প্রকৃতিকেই সময়ের ঘড়ি বানিয়েছেন।
এখানে রঙ নির্দিষ্ট কোনো চরিত্রের অনুভূতি সরাসরি প্রকাশ করায় না। বরং ঋতুর পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই সময়কে অনুভব করায়।
পাঁচটি পর্বে ভিন্ন-ভিন্ন রঙ এই চলচ্চিত্রে সময়ের দৃশ্যমান রূপ হয়ে ওঠে।
‘স্প্রিং, সামার, ফল, উইন্টার... অ্যান্ড স্প্রিং’ (২০০৩): সময়ের সঙ্গে ঋতুর রঙের পরিবর্তন হয়শুষ্ক মাটির রঙেও গল্প থাকে
ইরানি নির্মাতা আব্বাস কিয়ারোস্তামি পরিচালিত ১৯৯৭ সালের টেস্ট অব চেরি রঙের আরেকটি সম্ভাবনা দেখায়।
ছবির চারপাশে ধূসর, বাদামি, মাটির রং আর বিবর্ণ সবুজ। শুকনা মাটি, ধুলা এবং প্রাকৃতিক আলো মিলিয়ে তেহরান শহরের প্রান্তিক জায়গাগুলোতে একধরনের রুক্ষতা তৈরি হয়েছে। এই রঙের জগৎ চলচ্চিত্রটিকে বাড়তি সৌন্দর্যে সাজায় না; বরং দৃশ্যের নিজস্ব রংই ধীরে ধীরে তার বিষণ্ণ ও অন্তর্মুখী আবহের অংশ হয়ে ওঠে। সিনেমা ইরানিকার বিশ্লেষণেও চলচ্চিত্রটির প্রাকৃতিক আলো ও ম্লান রঙের প্যালেটকে তার বিষণ্ণ ও অন্তর্মুখী আবহের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
‘টেস্ট অব চেরি’ (১৯৯৭) : শুকনো মাটি, ধুলো ও ম্লান রঙ ছবিটির বিষণ্ণ ও অন্তর্মুখী আবহকে গভীর করেএই জায়গায় বাংলাদেশের রানওয়ের কথাও মনে পড়ে।
তারেক মাসুদ পরিচালিত ২০১০ সালের রানওয়েতে শহরের প্রান্তিক জীবন, মাটি, ধুলা, কংক্রিট এবং বিমানবন্দরের আশপাশের খোলা জায়গা চলচ্চিত্রটির দৃশ্যজগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমন পরিবেশ শুধু গল্পের পটভূমি হয়ে থাকে না; চরিত্রের অনিশ্চিত জীবন ও সময়ের অস্থিরতার সঙ্গেও মিশে যায়।
টেস্ট অব চেরি ও রানওয়ে চলচ্চিত্রের রং এক নয়, তাদের গল্পও এক নয়। মিলটি অন্য জায়গায়। দুটিতেই চারপাশের পরিবেশ ধীরে ধীরে গল্পের আবহের অংশ হয়ে ওঠে। শুকনা মাটি, ধুলা এবং প্রাকৃতিক আলো তখন কেবল একটি স্থান বা অবস্থান নয়, তার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের আবহ জমা হতে শুরু করে।
‘রানওয়ে’ (২০১০): শহরের প্রান্তিক প্রান্তরে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা সময়ের সঙ্গে মিশে যায়রং যখন চরিত্রের মানসিক অবস্থার বহিঃপ্রকাশ
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত ২০২১ সালের রেহানা মরিয়ম নূর-এ রং চরিত্রের মানসিক অবস্থার সঙ্গে মিশে যায়।
ছবির নীলাভ ও ধূসর রঙের প্যালেট রেহানার চারপাশের পৃথিবীকে শান্ত বা স্বস্তিদায়ক মনে হতে দেয় না। হাসপাতাল, করিডর, শ্রেণিকক্ষ, অফিস ও দরজা-জানালার পর্দায় একই ধরনের চাপা আবহ তৈরি হয়।
এই রংগুলো নির্দিষ্ট কোনো স্থানকে চিহ্নিত করে না; বরং রেহানার অস্বস্তি, ক্লান্তি, একাকিত্ব ও মানসিক চাপের সঙ্গে দর্শকদের একটি সম্পর্ক তৈরি করে।
রেহানা সব সময় তার অনুভূতি বলে না। কিন্তু তার চারপাশের রং অনেক সময় সেই অনুভূতির আভাস দেয়।
রং তখন সংলাপের বাইরে থেকেও চরিত্রের মনের কথা বলতে শুরু করে।
‘রেহানা মরিয়ম নূর’ (২০২১): নীলাভ ও ধূসর রঙ রেহানার মানসিক অস্বস্তির সঙ্গে দর্শকদের যুক্ত করেনীলের একাকিত্ব আর সবুজের অস্বাভাবিকতা
অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত ২০১৬ সালের আয়নাবাজিতে রঙের ব্যবহার শুধু ঢাকার শহুরে আবহ তৈরির জন্য নয়, আয়না চরিত্রটির ভেতরের জগতের সঙ্গেও যুক্ত।
চলচ্চিত্রটির নীল, সবুজ, ছায়া আর উজ্জ্বলতা একটি চাপা ও রহস্যময় আবহ তৈরি করে। নীলের উপস্থিতিতে আয়নার একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর সে যখন একের পর এক ভিন্ন মানুষের পরিচয় ধারণ করে, সবুজের ব্যবহার সেই বদলে যাওয়া পরিচয়ের মধ্যে একটি অস্বাভাবিকতার অনুভূতি তৈরি করে। ছায়া আর উজ্জ্বল আলো চরিত্রটির রহস্যময় অপরাধজগতে পদচারণকে নির্দেশ করে।
আয়না অন্যের হাঁটা, কথা বলার অঙ্গভঙ্গি ও আচরণ অনুকরণ করে। সে একের পর এক ভিন্ন ভিন্ন মানুষের পরিচয় ধারণ করে। চঞ্চল চৌধুরী চলচ্চিত্রটিতে মোট ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পোশাক, মেকআপ, কণ্ঠ ও আচার-আচরণ বদলায়, কিন্তু আয়নার ভেতরে তার একাকিত্বটা থেকে যায়।
‘আয়নাবাজি’ (২০১৬): নীল, সবুজ, ছায়া আর কনট্রাস্ট একটি চাপা ও রহস্যময় আবহ তৈরি করেসাদা-কালোও একটি রঙের সিদ্ধান্ত
রঙের উপস্থিতি নিয়ে এত কথা বলার পর একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই আসে: চলচ্চিত্রে রং না থাকলে?
জহির রায়হান পরিচালিত ১৯৬৪ সালের সংগম পাকিস্তানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য রঙিন চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। চলচ্চিত্রটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় নির্মিত হয়েছিল। অর্থাৎ তখন রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রযুক্তি ঢাকায় ব্যবহার হচ্ছিল।
তাহলে ১৯৭৩ সালের তিতাস একটি নদীর নাম সাদা-কালো কেন?
ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত তিতাস একটি নদীর নাম সাদা-কালো ৩৫ মিমি ফরম্যাটে নির্মিত হয়েছিল।
সাদা, কালো ও ধূসরতার নানা স্তর নদী, মানুষ ও চারপাশের প্রকৃতিকে একটি আলাদা দৃশ্যভাষা দিয়েছে। আলো ও ছায়ার সম্পর্ক চলচ্চিত্রটির আবহের মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা বাড়িয়ে দেয়। উজ্জ্বল রং অনেক সময় দর্শকের মনোযোগ মূল গল্প বা সংলাপ থেকে সরিয়ে নেয়, যা সাদা-কালোতে সাধারণত হয় না।
রঙিন প্রযুক্তি হাতের নাগালে থাকা সত্ত্বেও সাদা-কালো বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাই চলচ্চিত্রটির সাদা-কালোকে শুধু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি নন্দনতত্ত্বেরই একটি অংশ।
রঙের উপস্থিতি যেমন একটি সিদ্ধান্ত, তার অনুপস্থিতিও তেমনই একটি সিদ্ধান্ত।
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ (১৯৭৩): সাদা-কালোয় আলো, ছায়া ও ধূসরতার নিজস্ব নন্দনতত্ত্বরঙের কাজ শুরু হয় কালার গ্রেডিংয়ের আগেই
চলচ্চিত্রের রংকে শুধু সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান হিসেবে দেখলে তার কাজের বড় একটি অংশ চোখের আড়ালে থেকে যায়। রং চলচ্চিত্রের ভাষারই অংশ।
রং পোস্ট-প্রোডাকশনের শেষ ধাপে তৈরি হয় না। আলো, সেট, পোশাক, ক্যামেরা, লেন্স, এক্সপোজার ও লোকেশনের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই তার শুরু। পরে কালার গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তগুলো আরও নির্দিষ্ট হয়ে ওঠে।
তাই রঙের দায়িত্ব শুধু কালারিস্টের একার না। পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, প্রোডাকশন ডিজাইনার, কস্টিউম ডিজাইনার এবং পোস্ট-প্রোডাকশনের শিল্পীরা মিলে একটি চলচ্চিত্রের রঙের ভাষা তৈরি করেন।
রঙের গল্প তাই পোস্ট-প্রোডাকশনে শুরু হয় না; শুরু হয় চলচ্চিত্রের পরিকল্পনাতেই।
তাহলে চলচ্চিত্রের রং কোথা থেকে আসে?
অবশ্যই এক জায়গা থেকে নয়।
রং আসে আলো থেকে, প্রাকৃতিক দৃশ্যপট থেকে, মানুষের শরীর থেকে, পোশাক থেকে, সময় ও সংস্কৃতি থেকে। আসে শিল্পের স্মৃতি থেকে, ক্যামেরা ও লেন্সের সিদ্ধান্ত থেকে, আর সবচেয়ে বেশি আসে নির্মাতার দেখার ভঙ্গি থেকে।
একই লাল এক দৃশ্যে প্রেমের অনুভূতি তৈরি করতে পারে, আবার অন্য দৃশ্যে বিপদের। নীল কোথাও প্রশান্ত, আবার কোথাও বিষণ্ণ। সবুজ কখনো প্রকৃতি, আবার কখনো অস্বাভাবিকতার ইঙ্গিত। দৃশ্য, চরিত্র, আলো এবং গল্পের সঙ্গে সম্পর্ক বদলালেই রঙের অর্থও বদলে যায়।
তাই চলচ্চিত্রের কোনো দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে এবার একটি প্রশ্ন করা যায়:
এই রংটি না থাকলে দৃশ্যটি কি একই রকম অনুভূত হতো?
চলচ্চিত্রের কিছু কথা সংলাপে থাকে, কিছু থাকে শব্দ ও সংগীতে, আবার কিছু থাকে আলো-ছায়ায়।
আর রং হচ্ছে চলচ্চিত্রের নীরব ভাষাগুলোর একটি।
খন্দকার সুমন: লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা
নির্বাচিত তথ্যসূত্র
বই
১. চার্লস ব্রেমস্কো (Charles Bramesco), কালার্স অব ফিল্ম: দ্য স্টোরি অব সিনেমা ইন ৫০ প্যালেটস (Colors of Film: The Story of Cinema in 50 Palettes), Frances Lincoln, 2023।
২. অ্যাঞ্জেলা ডালে ভাক্কে (Angela Dalle Vacche) ও ব্রায়ান প্রাইস (Brian Price), সম্পাদিত, কালার: দ্য ফিল্ম রিডার (Color: The Film Reader), Routledge, 2006।
৩. প্যাটি বেলানতোনি (Patti Bellantoni), ইফ ইট’স পার্পল, সামওয়ান’স গনা ডাই: দ্য পাওয়ার অব কালার ইন ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং (If It’s Purple, Someone’s Gonna Die: The Power of Color in Visual Storytelling), Focal Press, 2005।
প্রবন্ধ ও অন্যান্য সূত্র
১. মনসুর বেহনাম, ‘টেস্ট অব চেরি’ (১৯৯৭)’, সিনেমা ইরানিকা।
২. লোটে হুক, মিররস অব মুভমেন্ট, পূর্ব পাকিস্তানে চলচ্চিত্রের রঙিন প্রযুক্তি ও সঙ্গম প্রসঙ্গে।
আলোচিত চলচ্চিত্র
১. দ্য ম্যাট্রিক্স (The Matrix), ১৯৯৯
২. স্প্রিং, সামার, ফল, উইন্টার...অ্যান্ড স্প্রিং (Spring, Summer, Fall, Winter... and Spring), ২০০৩, কিম কি-দুক (Kim Ki-duk)
৩. টেস্ট অব চেরি (Taste of Cherry), ১৯৯৭, আব্বাস কিয়ারোস্তামি (Abbas Kiarostami)
৪. রানওয়ে (Runway), ২০০৯, তারেক মাসুদ (Tareque Masud)
৫. আয়নাবাজি (Aynabaji), ২০১৬, অমিতাভ রেজা চৌধুরী (Amitabh Reza Chowdhury)
৬. রেহানা মরিয়ম নূর (Rehana Maryam Noor), ২০২১, আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ (Abdullah Mohammad Saad)
৭. তিতাস একটি নদীর নাম (Titash Ekti Nadir Naam), ১৯৭৩, ঋত্বিক ঘটক (Ritwik Ghatak)
· Prothom Alo
দাপ্তরিক যোগাযোগে ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানজনক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
Visit somethingsdifferent.biz for more information.
আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে এ কথা জানানো হয় ।
পরিপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির পূর্বে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তাই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রিগণের পদবির পূর্বে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।